শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম কিংবা ঘুমের মধ্যে অনেকসময় পেশীতে টান পড়ে বা মাসল ক্রাম্প হয়। পেশীর ক্র্যাম্প হলে সেই ব্যথা কতটা তীব্র হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই তা জানেন। কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে কখনও এক ঘন্টাও থাকতে পারে এই ব্যথা। বিশ্রাম নেওয়ার সময়ও হঠাৎ মাসল ক্র্যাম্প হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পেশীর টান বা ক্রাম্প হওয়ার পেছনে অস্বাস্থ্যকর বা অপর্যাপ্ত খাবারও অন্যতম কারণ। নিয়মিতভাবে  নির্দিষ্ট কিছু খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে এ সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পটাশিয়াম ক্রাম্প প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। এটি পেশী এবং স্নায়ুর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষায় সাহায্য করে। ক্র্যাম্প প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে প্রোটিনও। এছাড়া প্রোটিন পেশী এবং টিস্যু মেরামতের জন্যও উপকারী।

স্বাস্থ্যসম্মত কিছু খাবার যেগুলো মাংসপেশীর ক্রাম্প কমাতে সাহায্য করে

১. শরীরে পানির অভাব হলে পেশীতে ক্রাম্প হতে পারে। এজন্য নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এছাড়া নারকেল এবং লেবু পানিও শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

২. কলা পটাশিয়ামের দারুন উৎস। এটি শরীরের কার্বন ভাঙতে এবং পেশী তৈরি করতে সহায়তা করে। আর পটাশিয়াম পেশী এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।

৩. কলার মতো মিষ্টি আলুও পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ একটি খাবার । এমনকী কলার চেয়েও ছয় গুণ বেশি ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় এতে। সাধারণ আলু এবং মিষ্টি কুমড়াও খেতে পারেন একই উপকার পেতে।

৪. মটরশুঁটি, শিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এছাড়া কালো বিনে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়। উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার মেয়েদের পিরিয়ড ক্র্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে ।

৫. প্রোটিন এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ বাদাম মাসল ক্র্যাম্প সারাতে সাহায্য করে।

৬. মটরশুটি, ডাল, বীজ, গোটা শস্য, এবং গাঢ় পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজি খেলে শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বাড়বে। সেই সঙ্গে মাংসপেশীর ক্রাম্পও কমবে।

24 total views, 1 views today